বিডি প্রাইম ডেইলি
আন্তর্জাতিক

বিএনপি-জামায়াতের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি


বিএনপি ও জামায়াতকে উগ্র সন্ত্রাসবাদী এবং স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাদেশে তাদের রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি তুলেছেন সরকারদলীয় সিনিয়র সংসদ সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে এ দাবি জানান আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর এ সদস্য।

তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত রাষ্ট্রের শত্রু, স্বাধীনতার শত্রু। সাম্প্রদায়িকতা গণতন্ত্রের শত্রু। সন্ত্রাসী, জঙ্গি, স্বাধীনতাবিরোধী এ দল দুটিকে নিষিদ্ধের দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনারও দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। বঙ্গবন্ধু এদেশে স্বাধীনতাবিরোধীদের রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর কন্যা হিসেবে আপনিই এটা পারবেন। বিএনপি-জামায়াত স্বাধীনতাবিরোধীদের নিষিদ্ধ করলে বঙ্গবন্ধুর আত্মা শান্তি পাবে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও দেশের স্বাধীনতাকে বাঁচাতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বাংলাদেশে কোনো স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি যাতে রাজনীতি করতে না পারে সেজন্য এ দাবি করছি। তাদের নিষিদ্ধ করতে হবে। এরা যেন রাজনীতির নামে বাংলাদেশে খুন, সন্ত্রাস ও অরাজকতা করতে না পারে। আর যাকেই ধরতে পারবেন তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। কোনো দয়া-মায়া দেখানোর সুযোগ নেই।

ফজলুল করিম সেলিম বলেন, বিএনপি কোনো রাজনৈতিক দল নয়। এরা জঙ্গি, সন্ত্রাসী, স্বাধীনতাবিরোধী গোষ্ঠী। তাদের এদেশে রাজনীতি করার কোনও অধিকার নেই। সংবিধানকে তোয়াক্কা করে না তারা। যারা সংবিধান, নির্বাচন মানে না তারা আবার কী রাজনীতি করবে? এরপর তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যার নেপথ্যের ক্রীড়ানকদের সন্ধানে কমিশন গঠনের প্রস্তাব করে বলেন, কারা এর পেছনে জড়িত ছিল তা বেরিয়ে আসবে। যারা বঙ্গবন্ধুকে মারতে মারে, তারা যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পারে।

দেশের বিরুদ্ধে এখনও ষড়যন্ত্র অব্যাহত আছে উল্লেখ করে শেখ সেলিম বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী বিএনপি-জামায়াত শক্তি আবারও ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান লন্ডনে বসে বিশ্বের বড় সন্ত্রাসী দাউদ ইব্রাহিমের সঙ্গে বৈঠক করে। কীভাবে বাংলাদেশে অস্থিরতা বৃদ্ধি করে উন্নয়নের অব্যাহত ধারা বন্ধ করা যায়, তার জন্য ষড়যন্ত্র করছে সে। ৭ জানুয়ারির নির্বাচন বন্ধের জন্য বিএনপি-জামায়াত একের পর এক নাশকতা শুরু করে। সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করতে চায় তারা।

আওয়ামী লীগের সিনিয়র এ সংসদ সদস্য আরও বলেন, জিয়া ছিল আইএসআই-এর এজেন্ট। জিয়ার জন্ম পাকিস্তানে। তার পড়াশোনাও পাকিস্তানে। ১৯৬৯ সালে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা চলাকালে আইএসআই-এর এজেন্ট হিসেবে জিয়াকে বাংলাদেশ পোস্টিং দেয়া হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু যখন অর্থনৈতিক মুক্তির পথে অগ্রসর হন তখন অতি বিপ্লবী, প্রতিবিপ্লবীরা স্বাধীনতার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র শুরু করে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রকারীরাও তাদের সঙ্গে জড়িত ছিল। বঙ্গবন্ধুর চারপাশে যে শক্তিগুলো ছিল সেখান থেকে ষড়যন্ত্র না হলে তার গায়ে কেউ হাত দিতে পারতো না। বড় একটা চক্র বঙ্গবন্ধুর আশপাশে ঘুরে তাকে বিভ্রান্ত করেছে।

বাংলাদেশ জার্নাল/এফএম





Source link

Related posts

রুমায় ইউপিডিএফ ও কেএনএফের মধ্যে গোলাগুলিতে নিহত ১

মামুন খান

দেশে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা

মামুন খান

বাংলাদেশের উপর ভারতীয় দখলদারিত্ব চলছে: রাশেদ প্রধান 

মামুন খান