Home বিনোদন চীন–ভারত ছাড়া কি বাংলাদেশের বিকল্প নেই

চীন–ভারত ছাড়া কি বাংলাদেশের বিকল্প নেই

3
0

তথ্য-উপাত্ত ও গবেষণা থেকে আমরা দেখি যে চীনা প্রকল্পের মূল প্রস্তাব হলো, তিস্তা নদীর গড় প্রশস্ততা বর্তমানের প্রায় ৩ কিলোমিটার থেকে শূন্য দশমিক ৮১৬ মিটারে (অর্থাৎ ০.২৭২ বা প্রায় এক-চতুর্থাংশে) হ্রাস করা। এর ফলে নদীগর্ভের প্রায় ১৭১ বর্গকিলোমিটার ভূমি পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে এবং তা নগরায়ণ, সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প স্থাপন, কৃষি উন্নয়ন এবং জনবসতি স্থাপনের জন্য ব্যবহার করা যাবে।

প্রকল্পে আরও বলা হয়, খননের মাধ্যমে তিস্তার গভীরতা বর্তমানের ৫ মিটার থেকে ১০ মিটারে বর্ধিত (অর্থাৎ দ্বিগুণ) করা হবে। আশা করা হচ্ছে, এর ফলে তিস্তার নাব্যতা বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পে আরও আছে বেশ কিছু জেটি, বন্দর ও সড়ক নির্মাণের প্রস্তাব।

নাম থেকেই স্পষ্ট যে পাওয়ার-চায়না কোম্পানির মূল কাজের জায়গা হলো বিদ্যুৎ উৎপাদন। বাংলাদেশের একাধিক বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রতিষ্ঠান নির্মাণের ঠিকাদার হিসেবে এই কোম্পানি কাজ করছে। নদ-নদী ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে এই কোম্পানি কবে, কীভাবে ও কতখানি পারদর্শিতা অর্জন করেছে, তা স্পষ্ট নয়।