Home বাংলাদেশ এটা সেমি ফাইনাল, আগামী ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে

এটা সেমি ফাইনাল, আগামী ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে

1
0

সড়ক ও সেতু মন্ত্রি ওবায়দুল কাদের বলেছেন দেশের মানুষ কয়েকদিন লোডশেডিং এ ভোগান্তি পোহালেও এখন কোন লোডশেডিং নেই। দেশের রিজার্ভ কমে গিয়েছিল। বর্তমানে আমাদের ৫ মাসের আমদানীর রিজার্ভ রয়েছে। ওবায়দুল কাদের আরো বলেন, আগামী বছরের ডিসেম্বর কিম্বা জানুয়ারিতে আসল খেলা হবে। তখন খেলা হবে দুর্ণীতির বিরুদ্ধে, লুটপাটের বিরুদ্ধে। দেশের বাইরে বসে দেশের রাজনৈতিক অবস্থা অস্থিতিশীল করার পায়তারা চলছে। কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেওয়া হচ্ছে এরকম চলতে থাকলে এর সমচিত জবাব দেওয়া হবে। এবার খেলা হবে এই ডিসেম্বরে সেমি ফাইনা আর আগামী ডিসেম্বরে ফাইনাল খেলা হবে। উন্নত দেশ গুলো অধিক মূল্যে করোনা ভ্যাকসিন দিয়েছে সেখানে শেখ হাসিনা সরকার বিনামূল্যে দেশ বাসীকের করোনা ভ্যাকসিন দিয়েছে। ৭ জন বিএনপি সাংসদ পতদ্যাগ করেছে এতে সংসদ অচল হবে না। এই বুদ্ধি যারা দিয়েছেন তারা অচিরেই পস্তাবেন। তিনি আরও বলেন, বিএনপির কোনো সংবিধান নেই ,ফখরুল কবে সেক্রেটারি জেনারেল হয়েছে তার মনে নেই, সম্মেলন কবে হয়েছে তাও তিনি জানেন না।

রোববার (১১ ডিসেম্বর ) বিকেলের দিকে জেলা শহরের মুক্তিযুদ্ধের বিজয় মেলা মাঠে মানিকগঞ্জ আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অথিতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। গণতন্ত্র শুধু আওয়ামী লীগের ভেতর আছে, বিএনপির ঘরে নেই গণতন্ত্র, তারা কীভাবে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে। তাদের বলতে চাই, তাদের দলের সম্মেলন কবে হয়েছে। এ দলের জাম্বু-জেড মার্কা কমিটি কবে হয়েছে, কয়টা মিটিং হয়েছে। বিদেশিদের বলি তারা কেন জিজ্ঞেস করে না? তারা কীভাবে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করবে।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, খেলা হবে, এ লড়াই বড় কঠিন লড়াই, এ লড়াইয়ে জিততে হবে, ইনশাআল্লাহ আমরা জিতবো। ১০ ডিসেম্বর আকাশে মেঘ ছিলো, সব মেঘ কেটে গেছে, আতঙ্ক দূর হয়েছে, স্বস্তি ফিরে এসেছে সাধারণ মানুষের ভেতর। তাদের শুধু বলবো নোংরা ভাষায় কথা বলবেন না। নোংরা ভাষা আমাদের সাইড থেকে শুরু হলে পালানোর সময় পাবেন না। আমরা যখন কথা বলি তখন বেগম খালেদা জিয়া বলি, তারা কথায় কথায় লন্ডন থেকে হাসিনা হাসিনা বলে। সেই সুরে বিএনপির নেতারা ঐ ভাষা ব্যবহার করে, কারা কারা বলছেন সব কিছুর তালিকা আছে আমাদের কাছে। পতন যখন শুরু হয় তখন মানুষ ইচ্ছার বাইরেও ভুল করে। বিএনপির সংসদ থেকে পদত্যাগের সিদ্ধান্তও ভুল।

এর আগে দুপুর ১২টা থেকেই বিভিন্ন উপজেলা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে সম্মেলনস্থলে আসেন নেতা-কর্মীরা। মানিকগঞ্জ শহরের সরকারি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে এ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

বেলা সাড়ে তিনটার দিকে প্রধান অতিথি ওবায়দুল কাদের মানিকগঞ্জে এসে সম্মেলনে যোগ দেন। সম্মেলনের উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য লে. কর্নেল (অব.) ফারুক খান। প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দলের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম। এসময় আওয়ামীলীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড.আবদুস সোবহান গোলাপ, স্বাস্থ্ মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন, মানিকগঞ্জ ১ নং আসনের সংসদ সদস্য নাঈমুর রহমান দূর্জয়, মানিকগঞ্জ ২ আসনের সংসদ সদস্য মমতাজ বেগম, সম্মেলনে সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র সাঈদ খোকন, শামসুন্নাহার চাপা প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

সম্মেলন শেষে আওয়ামী কমিটিতে জেলা আওয়ালীগের পুনরায় জেলা আওয়ামীলীগের সাভাপতি এড. গোলাম মহিউদ্দিন ও সাধারণ সম্পাদক পদে এড. আব্দুস সালাম এর নাম ঘোষনা করে ওবায়দুল কাদের।